ঢাকার এস্টেটে ঈদ করবেন জুলকার নাঈন, করেননি শপিং

0
121
ঈদ
ঢাকার এস্টেটে ঈদ করবেন জুলকার নাঈন, করেননি শপিং

Sharing is caring!

সুদর্শন এক চরিত্র জুলকার নাঈন। বলিউড পাড়ায় খ্যাতি আছে তাঁর। তবে সেটা গুঞ্জন হিসেবেই। দেশজুড়ে করোনার প্রকোপ। এবার তাই এই ব্যক্তিত্বের ঈদ কাটবে ঢাকায়। নিজস্ব এস্টেটে।

নিজেদের এস্টেটে ঈদ করবেন জুলকার, যেখানেই তিনি প্রতিদিন ঘুমান। বিটিভি অনলাইনকে জুলকার জানিয়েছেন, ‘গতকাল রাতেও যথারীতি এস্টেটে ফিরেছি। পরিবারের সবাই এখানে ঈদ করব। আমি এখানেই বসবাস করি। এখানেই নামাজ পড়ি, আমার গার্লফ্রেন্ডরা জানেন।’

ঈদের শপিং প্রসঙ্গে জুলকারের ভাষ্য, ‘ঈদের অন্যতম আনন্দ শপিং। এবারের ঈদে আমি নিজের জন্য কোনো শপিং করিনি। তবে পরিবারের মানুষের জন্য কিছু উপহার কিনেছি।’

জুলকার নাঈনকে সবশেষ দেখা গেছে ঢাকার অদূরে একটি রিসোর্টে। আগ্রহী সংবাদ কর্মীরা ক্যামারা নিয়ে ফাঁদ পেতেও তাঁর সঙ্গী হিসেবে কাউকে খুঁজে পায় নি। পরে একজন সংবাদ কর্মী বাধ্য হয়ে জুলকার নাঈনের বেশ কিছু পোর্ট্রেট ছবি তুলে দিয়েছেন।

জুলকার নাঈন তাঁর সাক্ষাৎকারে বলেন, আমার ব্যাপারে আপনাদের আগ্রহে আমি অবাক। আমি এসেছি এই রিসোর্টে ফুল গাছে, কবুতরের বাসার সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে।  

বর্তমানে মানুষের আগ্রহের বিষয় জুলকার নাঈন এবং তাঁর গার্লফ্রেন্ড সংখ্যা। ২৭ বছর বয়সী জুলকার এখনও বিয়ে করে নি। দিয়া মির্জার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন রয়েছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

রিপোর্টটি সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত এবং বিনোদনভিত্তিক। বাস্তব ঘটনার সঙ্গে এই রিপোর্টের মিল খুঁজে পাওয়া গেলে ঘটনাপ্রবাহকে বিনোদন হিসেবে গ্রহণ করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।  

আরও কিছু কল্পনাপ্রসুত গল্প

সুদর্শন জুলকারের প্রতি নায়িকাদের আগ্রহের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা এবং আবেদনে সাড়া দিয়ে কম বিদেশ ভ্রমণের কারণেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আজ ৪৫.১ বিলিয়ন ডলারের নতুন রেকর্ড গড়েছে।   

তথ্য অনুযায়ী, গত একবছরে দেশের অন্যতম অন্যতম চালিকাশক্তি রিজার্ভ ৩৬.২২ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের ৩০ এপ্রিলে যা ছিল ৩৩.১১ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাংকের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তা বলেন, সুদর্শন জুলকারের প্রতি বলিউডের নায়িকাদের আগ্রহের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে অনেকাংশে সহায়তা করেছে।

উল্লেখ্য, সুদর্শন জুলকারের প্রতি আগ্রহ সুনিশ্চিত করতে আগ্রহী নায়িকাদের মোটা অঙ্কের টাকা রেমিটেন্স ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশে পাঠাতে হয়।  

জুলকার নাঈন সম্পর্কে বিস্তারিত

জুলকার নাঈন একজন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। তাঁর পোর্টফোলিও পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত রিপোর্ট এবং আর্টিকেল সমৃদ্ধ। তিনি মূলত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অভিবাসন বিষয়ে রিপোর্ট করে থাকেন।

জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশের একজন নাগরিক হিসাবে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে অধিক রিপোর্ট প্রকাশে আগ্রহী। তাঁর ক্লাইমেট ট্র্যাকারের সঙ্গে একত্রে জন্য বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত নারীদের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

তিনি ক্লাইমেট ট্র্যাকার দক্ষিণ এশিয়া নেটওয়ার্কে জড়িত। তরুণদের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক সৃষ্টি করাই ক্লাইমেট ট্র্যাকারের লক্ষ্য।

তিনি ক্লাইমেট ট্র্যাকারের একজন দক্ষিণ এশিয়া ফেলো। তিনি নির্ধারিত একটি এসাইনম্যান্টের অধীনে বিভিন্ন মিডিয়াতে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন।

এছাড়া, জুলকার ক্লাইমেট ট্র্যাকারের ট্রেইন দ্যা ট্রেনার সার্টিফাইড একজন সাংবাদিক যিনি যে কোনও জলবায়ু পরিবর্তন সাংবাদিকতার কোর্সটি ডিজাইন করতে পারেন।

জুলকার নাঈন অন্যান্য ক্লাইমেট ট্র্যাকার কর্মীদের সহায়তায় কোর্স তৈরি করেছেন। একজন তরুণ ক্লাইমেট এডভোকেট হিসাবে তাঁর লক্ষ্য জলবায়ু পরিবর্তনের জ্ঞান সমাজে ছড়িয়ে দেয়া।

জুলকার কমিউনিকেশন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস থেকে মিডিয়া স্টাডিজ এবং সাংবাদিকতায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

ঢাকার এস্টেটে ঈদ করবেন জুলকার নাঈন, করেননি শপিং

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here